Mukit Hossain Logo

মুকিত হোসাইন

মুকিত হোসাইন একজন উদীয়মান লেখক। অতি সাধারণ মানুষ হওয়ার অনন্য প্রয়াস তার। যেখানে সম্ভব অসম্ভব। আশার আলো ক্ষীণ। সেখানেই তিনি সম্ভাবনার গল্প লিখতে পছন্দ করেন। ধূসর গোধূলির আলোর ছটায় তিনি খোঁজেন মধুর কাব্যের রেশ। কখনো তাতে জুড়ে দেন রম্যতা, কখনো প্রেম, কখনো দ্রোহ আর কখনো বা ছড়িয়ে দেন নির্মল স্নিগ্ধতা।

রিমঝিম

রিমঝিম উপন্যাসের ধরণ: সমকালীন উপন্যাস পাণ্ডুলিপির প্রথমাংশ… ২৩শে এপ্রিল। বৃহস্পতিবার। বৈশাখের তপ্ত দুপুর। ইলেকট্রিসিটি নেই। ভ্যাপসা গরম। এই গরমে ইলেকট্রিসিটি না থাকাটা বিরক্তিকর হওয়ার কথা। অয়নের বিরক্ত লাগছে না। মনে হচ্ছে—এটাই স্বাভাবিক। ইলেকট্রিসিটি আজকাল এমনভাবে আসে যায়, যেন সে নিজের…

আমি খুব সম্ভবত

আমি সম্ভবত— এখনো প্রকৃত মানুষ হতে পারি নি! যতক্ষণ না কারো আড়ালে লুকানো কান্নার ভার আমায় কাঁদায়নি। আমি সম্ভবত— কখনো’ই মানুষকে বুঝতে পারি নি! যতক্ষণ না কারো হৃদয়ের দেয়ালে জমানো আর্তনাদ আমায় ভাবায়’নি। আমি সম্ভবত! আমি খুব সম্ভবত মানুষ হয়েও—…

রিমঝিম

এই যে জীবন এলোমেলোয় এদিক ওদিক ছুটে বেড়োয়, মন কেমনের গান অগােছালো বিষণ্ণ পড়ে থাকে সময়। খানিক’টা— জড়ো হয়, অঝোর স্মৃতি মন মিনারায়। শ্রাবণের দিন, রিমঝিম বৃষ্টি এখন কোথাও— কী আর আছে? মনের ভিতর খাঁ খাঁ রোদ্দুর, মেঘলা আকাশ ডাকে।…

এই পৌষের অন্ধকারে

এমন হিম’ঝরা দিনে— কারো কারো হৃদয়’কোণে শিশির জমে। মন খারাপে অতল শোকের বৃষ্টি ঝরে। চারপাশে কুহেলিকা— আর নিঃশব্দে নিকষ কালো মেঘ নামে। কোথাও কোনো অনাবিল উল্লাস নেই, আর্তনাদ, আড়ম্বরও নেই। কী দারুণ! নিস্তব্ধতায় ডুবে যায় দিন, ফুরিয়ে যায় অজস্র সময়,…

অভিযোগ

আমার কাছে আপনাদের যতো অভিযোগ, লিখে পাঠান রঙহীন ডাকবাক্সে। আমি সযত্নে তা পড়বো। যতো কালির কণিকা। যতো বিষণ্ণতার গল্প। জমানো ক্ষত। অভিমানের তীর। সবগুলি পাঠান। এই যে’ আমায় পথ চলতে হয়। চলার পথে। চায়ের কাপে। হঠাৎ দেখায় অভিবাদনে। অজস্র ভুল…

কবি

কবির জীবনে দুঃখ এক অনন্ত সঙ্গী, কবিতা’রা বিষণ্ণতার সাক্ষী। শব্দেরা মায়াজাল। জমানো গল্পগুলো নিঃসঙ্গতার অতল ছায়া। কখনো কখনো কবি’রা— শরতের কাশফুলের কোমল ছোঁয়া আর বাতাসের মৃদু দোল। এমন স্নিগ্ধতার জন্য উপেক্ষা করেন দীর্ঘ একটা বছর। অথচ, আমার অপেক্ষায় বছর শেষে…

প্রত্যাখ্যান অতঃপর আলোর পথে প্রত্যাবর্তন

আমার ডাকে যখন কেউ সাড়া দেয় না, আমি কেমন যেন হয়ে যাই। ঘুম আসে না, খেতে মন চায় না, উদাসীন বিহ্বল হয়ে বসে একলা আকাশ দেখি। কাউকে হৃদয়ের সবটুকু ভালোবাসা দিয়েও যখন সে উপেক্ষা করে, অন্য কারো প্রতি বেশি গুরুত্ব…

প্রণয়

প্রণয়ের অভিধানে লেখা থাকে না, সামান্য মাত্র অভিযোগ, একটু কথার এলোমেলো’তে থাকে না অসমর অনর্থক অভিমান। তবুও— মন ভার করে বসে থাকা, নীল আকাশ দেখা, এত্ত কিছুর পরও যেন— ভালোবাসা— এক অভিভূত বিস্ময়! আমি হন্নে হয়ে অভিধান খুঁজে খুঁজে, কোত্থাও…

দূরত্বের দেয়াল

অবশেষে, তোমার সাথে’ই— যেতে চাইলাম, তুমি অপেক্ষা করলে না, ঘাম’ঝরানো যাত্রার পর শুনি— তুমি চলে গেলে— আর থামলে না; এইতো— সামান্য’র পথ ছিলো, ছিলো সামান্যে’র ব্যবধান; অথচ— দূরত্বের দেয়াল এঁকে দিলে তুমি, ক্রোশ সহস্র মাইলের পথ! আমি তবুও সে কণ্টকাকীর্ণ…

প্রার্থনা

dua

একটি ছোট্ট প্রার্থনা আমার— আরশের অধিপতি; তোমার কাছে আরজী, যে আমার ভালো দেখে হিংসে করে প্রচুর, হে প্রভু তুমি তা’কে অধম হিংস্র করো না কভু। আলো’য় আলোকিত করো আলয় তার, আধারে ডুবে যেতে দিয়ো’না— ওর হৃদয় আর। আলো’য় আলোকিত করো…

Page 1 of 3
1 2 3